পোস্টগুলি

2022 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

দিউ

ছবি
দিউ   বামাপদ গঙ্গোপাধ্যায়। সোমনাথ থেকে বেড়িয়ে দিউ এর দিকে যাচ্ছি। আমার এক  সহযাত্রী গাড়ির জানালা দিয়ে আঙুল দিয়ে দেখাচ্ছেন ওই দেখুন পাঁচ মাথা তাল গাছ। আমি ওনাকে কিছুতেই বোঝতে পারছি না ওটা তাল গাছ নয়। এই গাছ গুলো তাল গাছের মতো দেখতে হলেও এদের নাম হোকা। এই ধরনের গাছ আফ্রিকা থেকে এসেছে । পর্তুগিজরা এই গাছ এখানে লাগিয়েছিলেন । পরে ভুল ভাঙল দিউ এসে।  নাগোয়া বিচ সমুদ্রে ঘেরা ছোট্ট একটি দ্বীপ দিউ। গুজরাট থেকে একে আলাদা করে চিহ্নিত করা খুবই মুশকিল। গুজরাটের মানচিত্রের নিচে এর অবস্থান। দিউ নামটি একা উচ্চারণ হয় না সঙ্গে যুক্ত হয় গোয়া-দমন। গোয়া যেমন পর্যটকদের কাছে খুবই চেনা নাম দিউ ততটাই অপরিচিত। গোয়া এবং দিউ-র পার্থক্য খুবই সামান্য। পার্থক্য অবস্থানের আর আয়তনের ৷ দিউ-র সী বিচে গোয়ার মতো মানুষ নেই, তবে রঙিন হয়ে আছে নাগোয়া বিচ । স্পিডবোর্ড চলছে । ওয়াটার স্কুটার চলছে । থাইল্যান্ডের ফুকেট এর মত সমুদ্রের মাঝে অস্থায়ী জেটি বানিয়ে  প্যারাসুট রাইডিং করাচ্ছে । শান্ত সী বিচে রয়েছে এক অনাবিল আনন্দ। প্রকৃতি একে নিজের মতো সাজিয়ে তুলেছেন। একদিকে নীল-শাদা সমুদ্রের জল আছড়ে পড়ছে প...

মিশরের কত রকম ঈশ্বর।

ছবি
মিশরের দেবী ও প্রকৃতি বামাপদ গঙ্গোপাধ্যায় সরস্বতীর হাঁস তিনিও কি পড়ান ইতিহাস?' হ্যাঁ তিনিও পড়ান ইতিহাস। কিসের ইতিহাস? মানব সভ্যতার ইতিহাস। মিশরীয় পুরা কীর্তি জাদুঘরে  গিয়ে দেখছি নতুন সভ্যতার মূর্তির পাশে বসে আছেন হাঁস। অনেকটা আমাদের সরস্বতীর মত। হাতে বীনা না থাকলেও পাশে বসে আছেন তার বাহন। আফ্রিকা হয়তো প্রথম মানুষের জন্ম দিয়েছে এবং মিশর সম্ভবত প্রথম মহান সভ্যতার জন্ম দিয়েছে, যা প্রায় ৫,০০০ বছর পরেও বিশ্বজুড়ে আধুনিক সমাজকে মুগ্ধ করে চলেছে। মিশর ঘুরতে ঘুরতে এত ইতিহাস কে আমি দেখেছি আর এত দেব-দেবীর কথা আমি শুনেছি তাতে আমার মনে হয়েছে ভারতীয় দেবদেবীর চেয়ে অনেক বেশি দেব দেবীর জন্ম হয়েছে মিশরে। আর ইতিহাসের কথা বলছেন মা সরস্বতী।  প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার জন্য আমাদের দেশে পশু পাখিকে আমরা পুজো করি। সূর্য চন্দ্র বাতাস মাটি সকলকে পূজা করতে শিখিয়েছে ভারতীয়রা। সবকিছুর ভেতরেই নির্মাণ আর সৃষ্টির একটা আধার  তৈরি করে রেখেছেন দেব-দেবীরা। একদিকে যেমন দেব- দেবী  অন্যদিকে তেমনি  অ -সুর। সবকিছুরই একটা প্রাধান্য আছে। মিশরে গিয়ে মনে হয়েছে আরো আরো এমন দেবতা আছেন যাদের সৃষ্...

মিশর ভ্রমণের নান্দীমুখ।

ছবি
মিশর ভ্রমণের নান্দীমুখ বামাপদ গঙ্গোপাধ্যায়। তখনো ত্রিভুজ কাকে বলে জানতাম না। ছোটবেলায় ইতিহাসের বইতে দেখতাম ত্রিভুজের মতো আঁকা কয়েকটা ছবি।এগুলোকে বলা হতো পিরামিড। এই পিরামিডের ছবিগুলো আমার কাছে ছিল খুব প্রিয়। পাতা উল্টে উল্টে বারবার এই ছবিগুলো কে দেখতাম। তখনো জানতাম না পৃথিবীর সপ্তম আশ্চর্যের মধ্যে একটি আশ্চর্য পিরামিড। ভালোলাগাটা এমন ভাবে গেঁথে গিয়েছিল বুকের ভেতর তাকে সরানো খুব মুশকিল ছিল। বহু বছর ধরে লালিত করেছি পিরামিড দেখার বাসনাটা। আর কৈশোরে একটা প্রশ্ন খুব মুখস্ত করতে হতো মিশরকে কেন নীল নদের দান বলা হয়। নীলনদ আর পিরামিড আমার দুচোখে ছিল দুটি রেখা । ভাবিনি কোনদিন এই নদ,এই পিরামিডকে কখনো স্পর্শ করতে পারব। কায়েরো শহরে আসার পর ঘোড়ার গাড়ি, হলুদ রঙের বাড়ি, বড় বড় ফুলকপি,মস্ত বড় বড় বাঁধাকপি দেখতে দেখতে, হঠাৎ দেখা মিলল ছোটবেলার সেই ত্রিভুজের মাথাটা। আমি চোখ বন্ধ করেছিলাম।কেন না,আমি তোমাকে সামনে থেকে দেখব। দূর থেকে নয়। তোমায় সামনে পেয়েও থমকে দাঁড়ায় মনের চোরা গলি। আজ আমি মিশরের কোনো নির্দিষ্ট জায়গা নিয়ে নিয়ে লিখব না। মিশর রহস্যের গল্প বলবো না। খুব ছোট্ট করে,পেন্সিল স্কে...

ছবিমুড়া

ছবি
ছবিমুড়া বামাপদ গঙ্গোপাধ্যায়  আগের দিন ঊনকোটি থেকে ফেরার সময় রাত হয়ে গিয়েছিল। রাস্তায় কুয়াশা ঢাকা গভীর জঙ্গলের গাছগুলো মাথা নুইয়ে ছিল রাস্তার দুই ধারে। এই পচা মে মাসে এমন কুয়াশা দেখে যেমন আনন্দ হচ্ছিলো তেমনি ভয়ও ছিল মনে। বৃষ্টিতে লাল কাদামাটি জড়িয়ে যাচ্ছিল গাড়ির চাকায়। তার ওপরে নিকষ অন্ধকার।আমাদের মাথায় কখন যে কুয়াশা ঢুকে পড়েছে আমরা নিজেরাও জানিনা। কাল আমরা যাব ছবিমুড়া। সোমনাথদা হন হন করে হেঁটে যাচ্ছেন চায়ের খোঁজে। আমি তার পেছনে পেছনে যাচ্ছি। হোটেল থেকে জানিয়ে দিয়েছে সকাল আটটার আগে চা হবে না। ত্রিপুরায় সকাল হয় একটু দেরিতে। দোকানপাট নটার আগে খোলে না। আর রাত আটটা হলে নিস্তব্ধতার আঁকি-বুকি। তাকে পেলে বাড়ি যাবো। সেরকমই চা পেলে তবেই ছবিমুড়া যাব। সবাই রাগারাগি করছেন , দেরি হয়ে যাচ্ছে দেরি হয়ে যাচ্ছে। সোমনাথ দা বলে এই তো হয়ে গেছে চলুন। ভাবি কিসের দেরি? আমরা তো দেরি করার জন্যই বাড়ি থেকে বেরিয়েছি ! ছবিমুড়া নামটার সাথে একটি শিল্প জড়িয়ে আছে। নামটা শুনলেই একটা ছবি ছবি ভাব মাথার ভিতরে হোঁচট খায়। কোন ছবিওলা মানুষ ওখানে নেই তো? ক্লান্ত অলস অবসর। সোজা বাসে বসে প...

কনক দুর্গা - ডুলুং- ঘাগড়া - খ্যাঁদারাণী (Jhargram tour )

ছবি
কাকড়াঝোড় কনক দুর্গা - ডুলুং- ঘাগড়া - খ্যাঁদারাণী বামাপদ গঙ্গোপাধ্যায়। যে মাটির রং এমনিতেই লাল । সেখানে কেন  রক্তের দাগ ? শুধু রক্তের দাগ নয় ! সে রক্ত গিয়ে মিশবে  ডুলুং নদীতে । কনক দুর্গা মন্দিরে গিয়ে এমন ইতিহাস শুনে বড় বিস্ময় লাগে । জঙ্গল মহলে দাঁড়িয়ে ভাবি আজ থেকে ৫০০ বছর আগে রাজা গোপীনাথ মন্দিরটি নির্মাণ করেছেন । রাজা স্বপ্নে কনক দুর্গার মূর্তি দেখেন এবং দেবীর মন্দির তৈরি করেন। নাম অনুসারে কনক, মূর্তিটি সম্পূর্ণরূপে সোনার তৈরি এবং উচ্চতায় ২(দুই) ফুট। এটা বিশ্বাস করা হয় যে রাজকীয় আমলে মানব বলিদান একটি গুরুত্বপূর্ণ আচার তৈরি করেছিল। যতক্ষণ না  বলির রক্ত ​​ডুলুং নদীতে পৌঁছায়, আচার চলতে থাকে। জঙ্গলমহলে আমরা প্রকৃতি দেখতে এসছি । যে  জঙ্গলমহলের বুকে একদিন রক্তের বন্যা বয়ে গিয়েছিল,সে জঙ্গলমহল এখন সেজেছে নতুন সাজে ।  রাজা আছেন , রাজবাড়ী আছে, সব আছে কিন্তু কোন ভয় নেই, কোন আতঙ্ক নেই । নির্ভয়ে তিন দিন কাটিয়ে আসা যায় ঝাড়গ্রামকে কেন্দ্র করে ।    কনক দুর্গা মন্দির   আমাদের ঝাড়গ্রাম ভ্রমণ করতে শিখিয়ে দিলেন আমার ভাতৃপ্রতিম বন্ধু ঝাড়গ...

দুধপাথরি Doodhpathri

ছবি
দুধপাথরি বামাপদ গঙ্গোপাধ্যায় । মনে হয়েছিল বলে গেলাম ঠিক এরকম নয়। পরিকল্পনা আগে থেকেই  অবশ্যই ছিল, তবে সেটা মনে মনে। শ্রীনগরে এসে প্রতিবারই একটা নতুন জায়গায় যাই। আমার সঙ্গী হন ইরফান। সে আমাকে প্রতিবারই নতুন একটা করে জায়গায় নিয়ে যায়। এ ব্যাপারে সবচেয়ে বেশি উৎসাহ দেন ইরফানের বাবা। কেননা তিনিও আমাদের সঙ্গী হন।  সবুজের ভেতর  সাদা বরফ বানিহাল থেকে শ্রীনগরের বড়গাঁও পর্যন্ত ট্রেন চলে ।  জায়গাটা  এক্কেবারে শ্রীনগর বিমানবন্দরের পেছনে ।বড়গাঁও একটি জেলাও বটে । বড়গাঁও রেলস্টেশনে আমি যাইনি । আমার যাওয়াটা আরো একটু দূরে । বিমানবন্দর থেকে দশ কিলোমিটার যাওয়ার পর আর কোন ভারতীয় সৈনিকের দেখা পায়নি । আঁকাবাঁকা অসমতল পথ ।রুক্ষ জমি । গাড়ির চাকা পাথরে পড়ে মাঝে মাঝে টলমল করে । আমাদের ছোট্ট গাড়িটা কতদূর আমাদের নিয়ে যেতে পারবে সে নিয়েও সন্দেহ ছিল আমার । যেহেতু ইরফান গাড়ির চালকের আসনে তাই সন্দেহ থাকলেও বিশ্বাস ছিল আমরা পৌঁছে যাব । আমি ইরফান,  ইরফানের কাকা ও বাবা । এই চারজন যাচ্ছি আমরা দুধপাথরি দেখতে । যাবার পথে ছোট ছোট কাশ্মীরি গ্রাম । আকাশে রোদ ঝলমল করছে । পেঁজ...

কিন্নর দেশে ( Kinnaur )

ছবি
  কিন্নর দেশে।  বামাপদ গঙ্গোপাধ্যায়  এই তো সেই দেশ যেখানে দেখা মেলে অনন্ত প্রকৃতির। এই তো সেই দেশ, যেখানে ঝাঁকে ঝাঁকে পরীর দল নেমে আসে আপেলের বাগানে! নৃত্য আর সঙ্গীতে মুখরিত হয়ে ওঠা সুর পাহাড়ের গা দিয়ে বয়ে আসে নদীর দু'ধারে। কল্পনা আর বাস্তব যেখানে মিলে মিশে একাকার হয়ে গেছে। কিন্নরের স্পর্শ তার প্রতিটি মুহুর্তের হাতছানি থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখবে কে? যা এই পৃথিবীতে নেই তাকে কল্পনা করা যায় না। যা এই পৃথিবীতে আছে একমাত্র তাকেই আমরা কল্পনা করতে পারি। এতো মানস ভ্রমণের সঙ্গে বাস্তব ভ্রমণের এক অপূর্ব মেল বন্ধন। হিমালয়ের গহনে নীল আকাশের বুক চিরে মেঘেদের কারখানায় আনাগনা ৷ বাঁশি হাতে ছোট্ট মেয়েটি  দেবদারুর পাতার সুরে সুর মেলাচ্ছে। এখানে কেউ আলাদা করে গান রচনা করে না। উৎসবের মাঝে সুর থেকে ভেসে উঠে গান। সবকিছুই যেন ছন্দে চলেছে। কতবার এলাম এই কিন্নরে তবু যেন সব কিছুই  নতুন লাগে। কিন্নরের একটা নিজস্ব গন্ধ আছে। এই গন্ধ কে উপলব্ধি করতে পারি কিন্তু লিখে বোঝাতে পারি না। গাড়োয়াল হিমালয়ের সঙ্গে কিন্নর জেলার পাহাড়ের সাদা চোখে কোন পার্থক্য নেই। একই রকম পাহাড়, একই রক...

ঘোড়াখুর জলপ্রপাত

ছবি
  ঘোড়াখুর জলপ্রপাত  বামাপদ গঙ্গোপাধ্যায় ॥ একোন দেশে এলাম? কিছুই বুঝতে পারছি না। পুরো পাহাড়ের  গর্তের মধ্যে যেন আমি ঢুকে পড়েছি । গোল করে ঘিরে রেখেছে পাহাড় । যে দিকেই আমি এগিয়ে চলি সেদিকেই পাহাড়  পিছিয়ে চলে। এ যেন বুড়ি ছোঁয়ায় এক লুকোচুরি খেলা! সামনে এগিয়ে গেলে পেছন দিক এগিয়ে আসে। জঙ্গলের ভেতর দিয়ে হেটে চলেছি।  মানুষ জন নেই বললেই চলে। মাঝে মাঝে দু একজনকে দেখা যাচ্ছে মাথায় কাঠের বোঝা নিয়ে জঙ্গল থেকে ফিরছেন। তাদরে হাতে মোটা বাশের লাঠি। কিছুটা যাবার পর দেখি কয়েকটা গরু হুড়মুড় করে পাহাড় থেকে নেমে আসছে। আমি একটি পাহাড়ীরা ধারায় কোন রকমে নেমে পড়ে নিজেকে আশ্বস্ত করি।   ঘোড়াখুর জলপ্রপাত একটু আগে আমি দেখে এসেছি হাহা পঞ্চ কুমারী পাহাড় , উল্কাপাতের পর সৃষ্টি হয়েছিল লেকটি । লেকের নাম খড়গ পুর লেক বা খড়গপুর ঝিল। খড়গপুর মোড় থেকে আমরা আরো এগিয়ে এসেছি। লেক থেকে বেড়িয়ে আরো পাঁচ কিলোমিটার দূরে ধাপরি মোড়। ভাগলপুর মুংগের রাস্তায় যে রাস্তাটা চলে গেছে জামুয়ের দিকে সেই রাস্তায়। ধাপরি মোড় থেকে আমাদের গাড়ি ঘুরে গেল একটা গ্রামের ভেতর। দেখলেই বোঝা যায় গ্রামটিতে জনজাতি মানুষের বা...

শুশুনিয়া

ছবি
ক্রমশ মিলায় দূরে শুশুনিয়া বামাপদ গঙ্গোপাধ্যায় । দিক নির্ণয় করতে বড় ভুল হয়ে যায়। পুরনো কথা বলতে বলতে, দিক নির্ণয় আর হয় না। ভ্রমণ করার পাগলামির কথাগুলো যখন মনে পড়ে, ভাবি কত কান্ড না করেছি! শুধু শুশুনিয়া যাব বলে,  শঙ্খ ঘোষের কবিতা ক্রমশ মিলায় দূরে শুশুনিয়া কতবার যে পড়েছি তার ঠিক নেই। এখনো সে কবিতা মুখস্ত বলতে পারি। ভ্রমণের খাতায় আবার উঠে এলো সেই শুশুনিয়া  পাহাড়।  শুশুনিয়া পাহাড়  সে আমায় বল্ল আমরা এবার শুশুনিয়া যাব । আমি বললাম কে কে যাবি? তুই আর আমি । শেষ পর্যন্ত স্কুলের আরেক বন্ধু দেবাশিস রায় ( এখন সংবাদিক)।বলা হলো সেও রাজি হয়ে গেলো । সবে আমাদের  দাড়ি গজিয়েছে । তবে দেবাশীষের এক মুখ দাঁড়ি ছিল । যা এখনো আছে । ঠিক হলো যাবো । কিন্তু থাকবো কোথায়? আমাদের বাড়িতে একটা ভদ্রমহিলা থাকতেন । তার বাড়ি ছিল বাঁকুড়া বেলিয়াতোড় । ঠিক হলো প্রথম রাত সেখানে কাটাবো । কাটানোর একটা কারণও ছিল এই গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন যামিনী রায়ের মতো শিল্পী । তার বাড়িটাও যদি দেখা যায় ।  আমরা বর্ধমান থেকে বাসে করে দুবার বাস পাল্টানোর পর  গেলাম বেলিয়াতোড়। যে ব...