হাম্পি।
হাম্পি। বামাপদ গঙ্গোপাধ্যায়। কোনো এক স্তব্ধ সন্ধ্যায়, আকাশে সূর্য যখন অস্ত গিয়াছে কিন্তু নক্ষত্র পরিস্ফুট হয় নাই, সেই সন্ধিক্ষণে কৃষ্ণা ও তুঙ্গভদ্রার সঙ্গমস্থলে ত্রিকোণ ভূমির উপর দাঁড়াও । কান পাতিয়া শোনো, শুনিতে পাইবে তুঙ্গভদ্রা কৃষ্ণার কানে কানে কথা বলিতেছে , নিজের অতীত সৌভাগ্যের দিনের গল্প বলিতেছে। শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা তুঙ্গ ভদ্রার তীরে। উপন্যাসটা পড়ার পর, মনে হয়েছিল এই জায়গাটা একবার দেখা দরকার। কান পেতে শোনার ইচ্ছে থাকলেও দক্ষিণ ভারতের প্রতি আমার খুব একটা প্রীতি ছিল না। বড় বড় মন্দির গুলো আমায় কোনদিনও টেনে নিয়ে যেতে পারিনি। কিন্তু হাম্পি নামটার সঙ্গে এমন একটা জাদু আছে তার টানেই চলে গিয়েছিলাম কর্নাটকে। কলকাতা থেকে ট্রেনে হাম্পি যেতে গেলে অমরাবতী এক্সপ্রেসে গিয়ে নামতে হবে হসপেট। ভোরে পৌঁছে হোটেলে গিয়ে বিশ্রাম নিয়ে বেরিয়ে পরা। আমি অবশ্য শুরু করেছিলাম মহীশূর থেকে। গিয়ে ছিলাম এ বছরের শীতের শেষে। ভারতবর্ষের ইতিহাসে, মানচিত্রে, কর্নাটকের হাম্পি,পাট্টাডকাল,আইহলো এই জায়গা গুলোকে সে ভাবে মানুষের কাছাকাছি নিয়ে আসা হয়নি। শুধু এখানকার ইতিহাস নয়, এখানকার রুপ ...