রাণী কী ভাভ
রাণী কী ভাভ বামাপদ গঙ্গোপাধ্যায় “জনহীন প্রান্তরে প্রাকার ঘেরা দেবদেউল। মন্দিরের গায়ে মসৃণ স্তম্ভের আশেপাশে দিনের আলো, চাঁদের সুষমা মেখে দাঁড়িয়ে আছে তারা। দেবতা আছেন মন্দিরে, মন্দিরের বাইরে যৌবন সৌন্দর্যের অনন্ত সম্ভার। সুঠাম তনুদেহে লাবণ্যের জোয়ার। পীনোন্নত বক্ষে স্বচ্ছ উত্তরীয় হয়ত আছে, দেখা যায় না। প্রলম্বিত মুক্তোর মালাটি স্তন স্পর্শ করে লুটিয়ে পড়েছে সুগভীর নাভির ওপরে। বলয়-কাঁকন শোভিত মৃণাল বাহুদুটি দু কেউ রেখেছে সুবিন্যস্তভাবে, কেউ মালার মতো জড়িয়ে ধরতে চায় প্রিয়তমকে, কারোর হাতে দর্পণ কারোর হাতে পাখি, কারো বা করাঙ্গুলে ব্যঞ্জনাময় মুদ্রা। ক্ষীণ কটির তটে কারুকার্য করা চন্দ্রহার। নীবির বাঁধন শিথিল হয়ে গুরু শ্রোণীদেশ ঘিরে অধোবাস নেমে এসেছে নিটোল উরুর সীমা ছাড়িয়ে অচঞ্চল চরণপ্রান্তে। স্থির হলেও তাদের পায়ের নৃত্যের ভঙ্গি বিভ্রম ঘটাতে চায় । এখনি বুঝি ছন্দে তালে বেজে উঠবে নূপুর, অঙ্গে ফুটে উঠবে নতুন ভঙ্গি। সূক্ষ্ম বস্ত্রের ভাঁজেভাঁজে ফুটে উঠবে ইঙ্গিতময় দুটি চারটি রেখা । শুধু কি ঐ ভঙ্গিটুকু ? কাছে গেলেই চোখে পড়ে অপরূপ ছাদের কমনীয় মুখে যৌবনশ্রী । “ মন্দিরের গায়ে এ...