পোস্টগুলি

অক্টোবর ১৬, ২০২২ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

শুশুনিয়া

ছবি
ক্রমশ মিলায় দূরে শুশুনিয়া বামাপদ গঙ্গোপাধ্যায় । দিক নির্ণয় করতে বড় ভুল হয়ে যায়। পুরনো কথা বলতে বলতে, দিক নির্ণয় আর হয় না। ভ্রমণ করার পাগলামির কথাগুলো যখন মনে পড়ে, ভাবি কত কান্ড না করেছি! শুধু শুশুনিয়া যাব বলে,  শঙ্খ ঘোষের কবিতা ক্রমশ মিলায় দূরে শুশুনিয়া কতবার যে পড়েছি তার ঠিক নেই। এখনো সে কবিতা মুখস্ত বলতে পারি। ভ্রমণের খাতায় আবার উঠে এলো সেই শুশুনিয়া  পাহাড়।  শুশুনিয়া পাহাড়  সে আমায় বল্ল আমরা এবার শুশুনিয়া যাব । আমি বললাম কে কে যাবি? তুই আর আমি । শেষ পর্যন্ত স্কুলের আরেক বন্ধু দেবাশিস রায় ( এখন সংবাদিক)।বলা হলো সেও রাজি হয়ে গেলো । সবে আমাদের  দাড়ি গজিয়েছে । তবে দেবাশীষের এক মুখ দাঁড়ি ছিল । যা এখনো আছে । ঠিক হলো যাবো । কিন্তু থাকবো কোথায়? আমাদের বাড়িতে একটা ভদ্রমহিলা থাকতেন । তার বাড়ি ছিল বাঁকুড়া বেলিয়াতোড় । ঠিক হলো প্রথম রাত সেখানে কাটাবো । কাটানোর একটা কারণও ছিল এই গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন যামিনী রায়ের মতো শিল্পী । তার বাড়িটাও যদি দেখা যায় ।  আমরা বর্ধমান থেকে বাসে করে দুবার বাস পাল্টানোর পর  গেলাম বেলিয়াতোড়। যে ব...