পোস্টগুলি

2023 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

অঙ্গপ্রদেশ।

ছবি
বঙ্গের চোখে অঙ্গপ্রদেশ। বামা পদ গঙ্গোপাধ্যায়  রুচির সমগ্রতা বলে একটি কথা আছে। আজ যা ভালো লাগছে কালকে ভালো নাও লাগতে পারে। সেই ছোটবেলায় বেরিয়ে পড়েছিলাম ভ্রমণে। কৈশোর থেকে যৌবনে পা দেওয়ার সময় চলে গিয়েছিলাম বিহারের বিভিন্ন পর্যটন স্থানে। সেদিনও আমার মনে হয়েছিল, বিহারের মতো এতো  দেখার জিনিস ভারতবর্ষে খুব কম আছে। এখনো সেটাতেই আমি বিশ্বাস করি। ভ্রমণে গিয়ে সকলেই খোঁজেন, এই অঞ্চলটার মধ্যে আমি আছি কিনা। বিহারের প্রতিটি  অঞ্চলে, নিজেকে খুঁজে পাওয়া যায় এটাই বিহারের বৈশিষ্ট্য।   এবারে গিয়েছিলাম অঙ্গপ্রদেশে। বঙ্গপ্রদেশ থেকে অঙ্গপ্রদেশে যাওয়ার জন্য, কোন মানসিক প্রস্তুতির দরকার হয় না। ১৯১২ সাল পর্যন্ত  বঙ্গ আর অঙ্গ একই জায়গায় ছিল। এই অঙ্গদেশে এসে, শুধু অঙ্গ নয়, প্রাণ এবং বায়ুর দুটোরই পরিবর্তন হয়েছে। হয়েছে চোখের আরামবোধ। বঙ্গের মানুষ, বিহারের নাম শুনলে একটু ভয় পান। কেন পান আমি ঠিক জানিনা। এই সেপ্টেম্বর মাসে আমি রাত্রি দশটা এগারোটা পর্যন্ত, অঙ্গ প্রদেশের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরেছি, না দেখেছি কোন রাজনৈতিক ডামাডোল, না পেয়েছি কোনো কিছুর ভয়।  বাঙালির বা...

আইফেল টাওয়ারের বিয়ে!

ছবি
আইফেল টাওয়ারের বিয়ে! বামাপদ গঙ্গোপাধ্যায়  হীরা বাবু কানে কানে আমাকে জিজ্ঞেস করলেন এরা কি আইফিল টাওয়ার রং করবে? সেই জন্যই কি ওরা এসেছে? কারা? এই যে এরা? এরা কারা? তাকিয়ে দেখি  ভারতের একটি বিখ্যাত রঙ কোম্পানির প্লাকার্ড নিয়ে অনেক মানুষ  দাঁড়িয়ে আছেন । কেউ লাইনে দাঁড়িয়ে, কেউ এদিক ওদিক ঘুরছেন। হীরাবাবু তাদের জিজ্ঞেস করেছিলেন, কতজন এসেছেন? তার উত্তরে শোনা গেল ১০০ জনের বেশি লোক এসেছেন রঙ কোম্পানি থেকে। হীরা বাবু আমাকে জিজ্ঞেস করলেন : ১০০ জন মিলে পারবে এত বড় আইফেল টাওয়ারকে রঙ করতে? এর উত্তর আমার জানা নেই। অনেক কষ্টে তাকে বোঝালাম  এরা রঙ কোম্পানির ডিলার। ওরাও ভ্রমণ করতে এসেছেন । আইফেল টাওয়ারকে রঙ করতে কত রঙ লাগে? শিল্পচর্চা ও সংস্কৃতির পীঠস্থান প্যারিস । কোন মিউসিয়ামে, কোন স্কুলে, পার্লামেন্ট এ কি রঙ হবে, এই নিয়ে বহুবার ফ্রান্সে আন্দোলন পর্যন্ত হয়েছে। ফ্রান্স পৃথিবীকে উপহার দিয়েছে বড় বড় চিত্রকরদের। ফ্রান্সের মানুষজন একটু উন্নাসিক। আত্মমগ্নতায় ডুবে থাকেন। ইংরেজি জানা মানুষদের সঙ্গে একদমই কথা বলতে চান না। ফ্রান্সের এক কফি শপে পরিচয় হয়েছিল এক তরুণ শিল্পীর সাথে। ত...

ইউরোপের বিড়াল

ছবি
ইউরোপের বিড়াল বামাপদ গঙ্গোপাধ্যায় আমার বন্ধু বিপুল  হঠাৎ করে আমার হাতটা টেনে ধরল।আমরা হাঁটছিলাম ফ্রান্সের এক রাস্তায়। জায়গাটা তেমন জনবহুল নয়। রাত হয়েছে, তবুও সূর্য ডুবি নি। কেউ কোথাও নেই বিপুল আমার হাতটা টেনে ধরল কেন? তাকিয়ে দেখি একটা বিড়াল রাস্তা ক্রস করে  উল্টো দিকে দৌড়ে চলে গেল। মানে বিড়াল রাস্তা কেটে দিল। এক পলকে ভাবি বিপুল বহুদিন লন্ডনে আছে, তার ভিতরেও রয়েছে সেই ভারতীয়  কুসংস্কার! মুখে কিছু না বলে আমিও দাঁড়িয়ে পড়লাম।  ভারতে রাস্তায় বেড়াল মানে একটা অশুভর ইঙ্গিত। বিড়াল যদি রাস্তা পার হয়ে যায়, সমস্ত চালক গাড়ি থামিয়ে দেয়। অন্য কেউ সেই রাস্তা পার হয়ে যাওয়ার পর সেই চালক আবার যাত্রা শুরু করেন। যারা বড় বড় ট্রাক বা লরি চালান তাদের কাছে বিড়াল বিরাট শত্রু। কেন যে এই সংস্কার  সেটা এখনো অনুমান করতে পারিনি।  ইউরোপের বিভিন্ন জায়গায় একই নিয়ম বিড়াল রাস্তা পার হলেই, গাড়ি থেমে যায়। তাহলে কি ইউরোপিয়ান দেশগুলো ভারতীয়দের মতো বিড়ালের প্রতি কুসংস্কারাচ্ছন্ন?  লন্ডনের বেকার স্ট্রিটের কাছে আমার এক বন্ধু  দোকানে চাকরি করেন। এবার তার সাথে...

গাড়োয়ালের সুন্দর গ্রাম উর্গম

ছবি
গ্রামের নাম উর্গম  বামাপদ গঙ্গোপাধ্যায় । গাড়োয়াল হিমালয়ের পবিত্র গ্রাম উর্গম। স্থানীয় মানুষের বিশ্বাস এখানে একসময় কেদারের মন্দির ছিল। নর ও নারায়ণ তাঁদের আরাধনাস্থল হিসাবে বেছে নিয়েছিলেন উর্গমকে। সেই গ্রামে যেতে হবে হেলং ছুঁয়ে। হেলং-এর পাশ দিয়ে গর্জন করতে করতে বয়ে যাচ্ছে অলকানন্দা। তার বুকের ওপর দিয়ে সেতু। হেলং থেকে এই সেতু প্রায় এক কি.মি. দূরে। হেলং থেকে দেখা যায় ব্রিজের ওপর দিয়ে সকাল থেকে সন্ধে পর্যন্ত লোক চলাচল করছে।এক সময় এই ব্রীজ ছিল লোহার । ব্রিজ থেকে কিছুদূরে বা ঝরনার মতো নেমে আসছে কল্পগঙ্গা। কল্পগঙ্গার সাথে মিলন হচ্ছে অলকানন্দার। তৈরি হয়েছে আরো একটি প্রয়াগ। এই পথ চলেছে কল্পেশ্বরের দিকে, এই পথ দিয়ে চলে যাওয়া যায় রুদ্রনাথে। এই পথই উর্গম যাবার পথ। দুর্গম পথ। হেলং-এর চায়ের দোকানের পাশ দিয়ে কাঠের সিঁড়ি বেয়ে আস্তে আস্তে নেমে পড়ুন ব্রিজের দিকে। রাস্তাও আছে। দোকানের সামনে থেকে পাঁচ মিনিট হাঁটলেই একটা সাইনবোর্ড: কল্পেশ্বর উর্গম জলবিদ্যুৎ প্রকল্প। উর্গম ব্রিজের ছবি তোলা নিষেধ। বেশ বড় ব্রিজ। পার হলেই মস্ত পাহাড়। পাহাড়ের ধার দিয়ে রাস্তা, রাস্তার ধারেই কল্প...

কম্বোডিয়ার আঙ্কোরভাট মন্দির

ছবি
কম্বোডিয়ার  আঙ্কোরভাট মন্দির   বামাপদ গঙ্গোপাধ্যায়   কলকাতা থেকে ব্যাংকক হয়ে যাচ্ছি সিয়েমরিয়েপ। কোথায় যাচ্ছি? যাচ্ছি কম্বোডিয়া। কি করতে না, আঙ্কোরভাট মন্দির দেখতে! বলা হয় পৃথিবীর সবচেয়ে বড় হিন্দু মন্দির। এই মন্দিরটি দেখার জন্য আমার যে খুব একটা উৎসাহ ছিল তেমন নয়। যাবার সময় ভেবেছিলাম  সবাই তো যায় আমিও একবার যাই। শুধুমাত্র একটা মন্দির দেখার জন্য এতদূর আশা? ভেবে অবাকই লাগছিল ভেতরে ভেতরে। তবে হ্যাঁ, যাওয়ার আগে একটু পড়াশুনা করেছিলাম।সেটা যতটা না নিজের জন্য অন্যের জন্য পড়তে হয়েছিল। সিয়েমরিয়েপ বিমানবন্দরে নেমে  একটু অবাকই হলাম। জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহ এতটুকু ঠান্ডা নেই। হোটেল খুব একটা দূরে নয়। হোটেলে গিয়ে সামান্য বিশ্রাম নেওয়ার পরেই বেরিয়ে পড়লাম মন্দিরের শহর আঙ্কোরভাট দেখতে। বদ্ধ জলাশয়ের মধ্যে তো একটা ঘুর্নি ছিল মনের মধ্যে। মন্দিরের কাছাকাছি আসার পর প্রস্রবণের ধারা প্রবাহের একটা পথ খুঁজছিল। সেই পথটা দেখালেন একজন বৌদ্ধ সন্ন্যাসী। ভিতরে ভিতরে যে প্রবাহ ধারা বয়ে চলেছিল বৌদ্ধ সন্ন্যাসী ওঙ্কার ভাটের শিল্পচেতনার কথা এমনভাবে আমাকে বললেন, সেখান থেকেই এক...

আন্দামান

ছবি
  আন্দামানের  কথা বামাপদ গঙ্গোপাধ্যায়      গুরুর কাছেই শিক্ষা ভূগোলে পড়া বিদ্যে । পৃথিবীর তিন ভাগ জল. আর একভাগ স্থল । জীবনের তিন ভাগ দুঃখ, আর একভাগ সুখ । এই কথাটা সমরেশ বসুকে কুম্ভের এক সাধুবাবা বলেছিলেন । সমরেশ বাবু এই কথাগুলো তাঁর  লেখায়, ব্যক্তিগত আড্ডায় বহু বার বলেছেন । এই নিয়মই আমার জীবনের সাথে মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে ।                   নব্বইদশকের শেষের দিকে প্রথম কলকাতা থেকে জাহাজে করে আন্দামান এসেছিলাম ।  সে এক চরম অভিজ্ঞতা। সে অভিজ্ঞতার কথা অন্য সময় বলবো । তবে বলতে হয় সে বড় সুখের সময় নয় সে বড় দুংখের সময় । ভালো লাগার ছোট মুহূর্তের  মধ্যে ছিলো  জাহাজের পেছনে পেছনে আসা  অসংখ্য সিগাল.বড় বড় সার্ক আর জলে উড়ে বেড়াচ্ছিল উরুক্কমাছ । তিনদিন জলে ভাসতে ভাসতে যখন আন্দামানে এসে পৌঁছেছিলাম, জলের প্রতি এক অদ্ভুত ঘৃনা জন্মে ছিল। সুখ আর দুঃখকে ভাগ করতে পারছিলাম না । ভেবেছিলাম আমিও সেই কয়েদী যে সেলুলার জেলে বন্দি হতে এসেছি । কেন না ঘন্টা বাজিয়ে জাহাজের ক্যাপ্টেন যখন খাবার হয়ে গেছে ঘোষণা করতেন,...

ময়নামতি

ছবি
  ময়নামতি বামাপদ গঙ্গোপাধ্যায় আমরা যখন চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার দিকে যাচ্ছি, সেই সময়  ময়নামতির নামটা উচ্চারণ হয়েছিল। আমাদের এক সঙ্গী  বললেন ময়নামতি নামটার সাথে বাঙালির রোমান্টিকতা বহুদিনের। ময়নামতির চর দেখার ইচ্ছে বা বাসনা  আমারও ভেতরে ভেতরে সুপ্ত হয়ে ছিল।চালক বললেন, ময়নামতি যাবেন? আমরা এক কথায় রাজি হয়ে গেলাম। ময়নামতিতে কি দেখার আছে আমরা নিজেরাও জানিনা। আমাদের চালক সেভাবে কিছু বললেন না। ঢাকা-চট্টগ্রামে হাইরোড থেকে বাঁদিকে আমাদের গাড়িটা ঢুকিয়ে দিলেন। গ্রামের ভেতর দিয়ে ভেতর দিয়ে যাচ্ছি  ময়নামতি দেখতে।  একটা উৎকণ্ঠা কাজ করছে।কি দেখবো সেখানে গিয়ে? ময়নামতির চর না তেপান্তরের মাঠ? কি দেখতে যাচ্ছি?  কুমিল্লা। গোমতী পাড়ের শহর। ত্রিপুরার রাজারা এক সময় এ শহরের গোড়াপত্তন করেছিলেন গ্রীষ্মকালীন অবকাশযাপন কেন্দ্র হিসেবে। গোমতী পার বলে এ জনপদের সুখ্যাতি রয়েছে। নদী ও পুকুর শহর কুমিল্লা। তার পাশঘেঁষে গড়ে উঠেছে কমলাংক বা বর্তমান কুমিল্লা। বাংলাদেশ আয়তনে একটি দেশ হলেও পর্যটনশিল্পের বিচিত্র শাখায় সমৃদ্ধ এই জেলা। বিরল সৌন্দর্য ও সভ্যতার আদি নিদর্শন এ অঞ্চলের মা...

দারিংবাড়ি

ছবি
উপত্যকায় বাড়ি। বামাপদ গঙ্গোপাধ্যায়  এবার আবার কাশ্মীর? বন্ধুকে বলি : বরফ দেখতে পাবো? মনে মনে বলি : বরফ দেখার লোভ আমার নেই।আমি অনেক বরফ দেখেছি । আমি প্রকৃতি দেখতে যাব । সে আমায় বলে হ্যাঁ রে পাবি রাজি হয়ে গেলাম দারিংবাড়ি যাবার জন্য ।  ট্রেনের টিকিট নিয়ে ভাবনা আমার নেই । কিছু একটা হয়ে যাবে । দুটি তৎকাল টিকিট কেটে হাওড়া থেকে উঠে পড়ি ট্রেনে ।সকাল ন'টা নাগাদ বেহেরমপুর বা ব্রহ্মপুর স্টেশনে নেমে পড়ি । ব্রহ্মপুর স্টেশন থেকে বাস স্ট্যান্ড  এসে বাস ধরলাম। জাতীয় সড়ক ধরে বাস চলতে শুরু করল।এক ঘন্টার পর থেকেই প্রকৃতি পাল্টে যেতে শুরু করল । দূরের আঁকা বাঁকা পাহাড়ের ছবি আস্তে আস্তে চোখের সামনে ভেসে আসছে। পাক খেয়ে গাড়ি উঠতে লাগল।সকালের পুরি আর তরকারি পেটে গুলিয়ে উঠছে । এ কোথায় যাচ্ছি? গভীর গহন জঙ্গল । উদয়গিরি ফরেস্ট রেঞ্জ যে এতো গভীর ভাবলেই  বিস্ময় লাগছে। এ কি ওড়িশা?  নাকি কী মধ্য প্রদেশ? আমার ভ্রমণ মানে কোন টার্গেট নয় রাস্তা দিয়ে যেতে যেতে যা দেখি সেটাই আমার চোখে সব থেকে বড় ভ্রমণ । নেট থেকে পাওয়া তথ্য অনুসারে দারিংবাড়ি উড়িষ্যা রাজ্যের কন্ধমাল জেলার একটি উল্লেখযোগ্য শৈল...

লাল কাঁকড়ার ঘরে

ছবি
  লাল কাঁকড়ার ঘরে  বামাপদ গঙ্গোপাধ্যায় ॥ মন্দারমণি যাবার জন্য চাউল খোলা মোড়ের কাছে  দাঁড়িয়ে আছি । দীঘার থেকে প্রায় ২৪ ,কিমি আগে এই মোড়ে দাঁড়িয়ে পুজোর কটাদিন দেখলাম কী হারে গাড়ি যাচ্ছে আর আসছে । আমার অবশ্য মন্দারমণি যাবার ইচ্ছে নেই, কাছে পিঠে  যদি একটা নিরিবিলি বীচ পাওয়া যায় তা হলে নিজের সাথে নিজের একটু কথা বলা যায় ।কী কথাই বলবো । বাড়ি ফিরে মনে হবে বেশি কথা হলো ।লোকে বলবে মূর্খ বড়ো সামজিক নয় । কোথায় যাই? একজন বলেছিলো লাল কাঁকড়া বীচ গেলে আপনি একা থাকতে পারবেন । আমি মনকে বললাম চলো নিজ নিকেতনে । ঝাউ গাছের ফাঁক দিয়ে সূর্য নিভে যাচ্ছে  চাউল খোলা থেকে একটা অটো নিলাম। ২০০ টাকা দিয়ে। মাত্র ৯ কিমি রাস্তা ২০০ টাকা! অগত্যা মধুসূদন ! ভাবি আমাদের গ্রামের বাড়ি যাচ্ছি ।  মেদিনীপুরের লাল মাটি রূপ এখানে নেই। রাস্তার দুই ধারে পুকুরে  হাঁস চই চই । রোদে শুকাতে দেয়া হয়েছে শুটকি মাছ । মোড়ের মাথায় বাগদা আর গলদা চিংড়ির দোকান । এক জায়গায় লেখা রয়েছে বিভিন্ন রকম কাঁকড়া পাওয়া যায় । আমি তো সেভাবে ভেরি দেখতে পাচ্ছি না । ৫ কিলোমিটার যাওয়ার পরেই প্রকৃতি একটু পাল্টাতে শুর...