পোস্টগুলি

ডিসেম্বর ৪, ২০২২ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

মিশর ভ্রমণের নান্দীমুখ।

ছবি
মিশর ভ্রমণের নান্দীমুখ বামাপদ গঙ্গোপাধ্যায়। তখনো ত্রিভুজ কাকে বলে জানতাম না। ছোটবেলায় ইতিহাসের বইতে দেখতাম ত্রিভুজের মতো আঁকা কয়েকটা ছবি।এগুলোকে বলা হতো পিরামিড। এই পিরামিডের ছবিগুলো আমার কাছে ছিল খুব প্রিয়। পাতা উল্টে উল্টে বারবার এই ছবিগুলো কে দেখতাম। তখনো জানতাম না পৃথিবীর সপ্তম আশ্চর্যের মধ্যে একটি আশ্চর্য পিরামিড। ভালোলাগাটা এমন ভাবে গেঁথে গিয়েছিল বুকের ভেতর তাকে সরানো খুব মুশকিল ছিল। বহু বছর ধরে লালিত করেছি পিরামিড দেখার বাসনাটা। আর কৈশোরে একটা প্রশ্ন খুব মুখস্ত করতে হতো মিশরকে কেন নীল নদের দান বলা হয়। নীলনদ আর পিরামিড আমার দুচোখে ছিল দুটি রেখা । ভাবিনি কোনদিন এই নদ,এই পিরামিডকে কখনো স্পর্শ করতে পারব। কায়েরো শহরে আসার পর ঘোড়ার গাড়ি, হলুদ রঙের বাড়ি, বড় বড় ফুলকপি,মস্ত বড় বড় বাঁধাকপি দেখতে দেখতে, হঠাৎ দেখা মিলল ছোটবেলার সেই ত্রিভুজের মাথাটা। আমি চোখ বন্ধ করেছিলাম।কেন না,আমি তোমাকে সামনে থেকে দেখব। দূর থেকে নয়। তোমায় সামনে পেয়েও থমকে দাঁড়ায় মনের চোরা গলি। আজ আমি মিশরের কোনো নির্দিষ্ট জায়গা নিয়ে নিয়ে লিখব না। মিশর রহস্যের গল্প বলবো না। খুব ছোট্ট করে,পেন্সিল স্কে...

ছবিমুড়া

ছবি
ছবিমুড়া বামাপদ গঙ্গোপাধ্যায়  আগের দিন ঊনকোটি থেকে ফেরার সময় রাত হয়ে গিয়েছিল। রাস্তায় কুয়াশা ঢাকা গভীর জঙ্গলের গাছগুলো মাথা নুইয়ে ছিল রাস্তার দুই ধারে। এই পচা মে মাসে এমন কুয়াশা দেখে যেমন আনন্দ হচ্ছিলো তেমনি ভয়ও ছিল মনে। বৃষ্টিতে লাল কাদামাটি জড়িয়ে যাচ্ছিল গাড়ির চাকায়। তার ওপরে নিকষ অন্ধকার।আমাদের মাথায় কখন যে কুয়াশা ঢুকে পড়েছে আমরা নিজেরাও জানিনা। কাল আমরা যাব ছবিমুড়া। সোমনাথদা হন হন করে হেঁটে যাচ্ছেন চায়ের খোঁজে। আমি তার পেছনে পেছনে যাচ্ছি। হোটেল থেকে জানিয়ে দিয়েছে সকাল আটটার আগে চা হবে না। ত্রিপুরায় সকাল হয় একটু দেরিতে। দোকানপাট নটার আগে খোলে না। আর রাত আটটা হলে নিস্তব্ধতার আঁকি-বুকি। তাকে পেলে বাড়ি যাবো। সেরকমই চা পেলে তবেই ছবিমুড়া যাব। সবাই রাগারাগি করছেন , দেরি হয়ে যাচ্ছে দেরি হয়ে যাচ্ছে। সোমনাথ দা বলে এই তো হয়ে গেছে চলুন। ভাবি কিসের দেরি? আমরা তো দেরি করার জন্যই বাড়ি থেকে বেরিয়েছি ! ছবিমুড়া নামটার সাথে একটি শিল্প জড়িয়ে আছে। নামটা শুনলেই একটা ছবি ছবি ভাব মাথার ভিতরে হোঁচট খায়। কোন ছবিওলা মানুষ ওখানে নেই তো? ক্লান্ত অলস অবসর। সোজা বাসে বসে প...