কিন্নর দেশে ( Kinnaur )
কিন্নর দেশে।
বামাপদ গঙ্গোপাধ্যায়
এই তো সেই দেশ যেখানে দেখা মেলে অনন্ত প্রকৃতির। এই তো সেই দেশ, যেখানে ঝাঁকে ঝাঁকে পরীর দল নেমে আসে আপেলের বাগানে! নৃত্য আর সঙ্গীতে মুখরিত হয়ে ওঠা সুর পাহাড়ের গা দিয়ে বয়ে আসে নদীর দু'ধারে। কল্পনা আর বাস্তব যেখানে মিলে মিশে একাকার হয়ে গেছে। কিন্নরের স্পর্শ তার প্রতিটি মুহুর্তের হাতছানি থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখবে কে? যা এই পৃথিবীতে নেই তাকে কল্পনা করা যায় না। যা এই পৃথিবীতে আছে একমাত্র তাকেই আমরা কল্পনা করতে পারি। এতো মানস ভ্রমণের সঙ্গে বাস্তব ভ্রমণের এক অপূর্ব মেল বন্ধন। হিমালয়ের গহনে নীল আকাশের বুক চিরে মেঘেদের কারখানায় আনাগনা ৷ বাঁশি হাতে ছোট্ট মেয়েটি দেবদারুর পাতার সুরে সুর মেলাচ্ছে। এখানে কেউ আলাদা করে গান রচনা করে না। উৎসবের মাঝে সুর থেকে ভেসে উঠে গান। সবকিছুই যেন ছন্দে চলেছে। কতবার এলাম এই কিন্নরে তবু যেন সব কিছুই নতুন লাগে। কিন্নরের একটা নিজস্ব গন্ধ আছে। এই গন্ধ কে উপলব্ধি করতে পারি কিন্তু লিখে বোঝাতে পারি না।
গাড়োয়াল হিমালয়ের সঙ্গে কিন্নর জেলার পাহাড়ের সাদা চোখে কোন পার্থক্য নেই। একই রকম পাহাড়, একই রকম নদী, সেই পথের বাঁক। তবে কী পার্থক্য? ভারতের কোন রাজ্যের নারী ও পুরুষ একই রকম টুপি মাথায় দেয় এবং সারাদিন, সারা বছর? এক মাত্র কিন্নর জেলা ছাড়া ভারতে এদৃশ্য বিরল। কিন্নরের গহনতার মধ্যে স্তব্ধতা আছে। নৈঃশব্দের তর্জনী তুলে দিলেও ভেঙে যেতে পারে স্তব্ধতা ।
বুদ্ধদেবের সংঘের পথে গুম্ফায় মণ্ডলা চিত্র থাঙ্কা পেন্টেং আর মণিচক্রের শব্দ ‘হুম’ বার বার কানে আসে। মহাযোগী গুরু পদ্ম সম্ভাবা আর মহা দার্শনিক শান্ত রক্ষিত বৌদ্ধ তন্ত্রে রক্ষিত বৌদ্ধ তন্ত্রের মূল উৎস হয়ে এই পথ ধরে তিব্বতে গিয়েছেন। সমাজসেবী সত্যন্দ্র স্টোক বিদেশ থেকে আপেল চারা এনে এখানকার কোটগড়ে প্রথম আপলের চাষ করে ছিলেন। হল্যাণ্ড থেকে দুই সমাজসেবী স্পু তে প্রথম ন্যাসপাতি চারা লাগান।তারপর থেকে এই আপেল ও নাশপাতি এই জেলার মানুষকে অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ করে তুলেছে। বহুপতির দেশে ‘দ্রৌপদী’রা সারাদিন কর্মব্যস্ত। অলঙ্কারেই যাদের মুখ ঢেকে যায় তাদের আলাদা করে রূপের বর্ণনাকরা যায় না ।
ভারতে কৈলাস অনেকগুলি ১) মণিমহেশ – কৈলাস ২) ছোট কৈলাস ৩) লঘু-কৈলাস ৪) কিন্নর-কৈলাস। এদের মধ্যে কিন্নর-কৈলাস হচ্ছে সবচেয়ে জনপ্রিয়। কৈলাসের মাথায় বরফ জমে না আর সূর্যের আলোর সাথে সাথে পাহাড়ের মাথায় আলোর বিচ্ছুরণ হতে থাকে।
![]() |
সারাহান
রামপুর থেকে সারাহানের দূরত্ব ৪০ কিমি। সারাহান প্রাচীন হিন্দুস্থান তিব্বত সড়কের ওপর অবস্থিত। রামপুর থেকে জিওরি বা জেরি দূরত্ব ২৩ কিমি। উচ্চতা ৪৫০০ ফুট। এখান থেকে রাস্তা ডানদিকে পাহাড়ের গা দিয়ে ওপরে উঠে গেছে। মাত্র ১৭ কিমি। রাস্তা গ্রামের ভেতর দিয়ে আপেল বাগানের পাশ দিয়ে সারাহানে গিয়ে শেষ হয়েছে। সারাহানের উচ্চতা ২১৬৫ ফুট। সাহারান অত্যন্ত এক প্রত্যন্ত জনপদ। তুষার ঢাকা তুষারমৌলি শ্রীখণ্ড মহাদেব (১৭১৪৫ ফুট) গিরিশৃঙ্গের পাদদেশে চির-দেওদার আপেল ছাওয়া এই প্রাচীন জনপদ পৌরাণিককাল থেকে ভারতবিখ্যাত। রামপুর দুশো বছর আগে বুশহার রাজ্যের রাজধানি ছিল। তার আগে ছিল সারাহান। সাহারানেই শেষ হচ্ছে সিমলা জেলা। ভারতের মানচিত্রে সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলি খুবই স্পর্শকাতর। ভারতবর্ষের ইতিহাসের পাতা খুলেই চোখে পড়ে আর্য ও অনার্যদের লড়াই। কিন্নর জেলার মানুষদের শারীরিক গঠন ও মুখের চেহারা ভারতের অন্য কোন রাজ্যের মানুষের সঙ্গে তুলনা করা যাবে না। এদের মুখগুলো অশ্বাকৃত লম্বা, নাক টিকালো গায়ের রং আপেলের মতো। অনার্যদের সঙ্গে এদের তুলনা চলে না। বানাসুরের কন্যা ঊষাদেবীর বাস ছিল নাকি এখানেই। শ্রীকৃষ্ণের পৌত্র অনিরুদ্ধের সঙ্গে প্রেমপর্ব থেকে শুরু হয় যুদ্ধ। প্রেমের শেষ পরিনতি বিবাহ থেকে নাকি মিলন ঘটে সমতলের মানুষের সঙ্গে পাহাড়ের মানুষের। (এটাই হয়তো আর্য ও অনার্যদের প্রথম মিলনক্ষেত্র)। আপেল বাগানের ফাঁক দিয়ে দেখা যাচ্ছে শ্রীখণ্ড মহাদেব গিরিশৃঙ্গ। এই শ্রীখণ্ড সারাহানের অনুপম সৌন্দর্যে অতিরিক্ত মাত্রা যোগ করেছে। সারাহান থেকে ট্রেকারদের জন্য দুটি বিখ্যাত ট্রেকিং রুট বেরিয়েছে, একটা রাস্তা পুরোনো হিন্দুস্থান-তিব্বত সড়কের পথ ধরে চৌরা, ট্রাণ্ডা, নাচার হয়ে ওয়াংটু গিয়েছে, অন্যটা পিনপার্বতী গিরিপথ (১৫৭৫০ ফুট) পেরিয়ে উত্তরে স্পিতি উপত্যকার কাজায় গিয়েছে।
সারাহানে ভীমাকালী মন্দির শ্রীখণ্ড মহাদেব গিরিশৃঙ্গের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে। পুরাণ বলছে : দক্ষযজ্ঞস্থল সতীর দেহত্যাগের পর তাঁর নিষ্প্রাণদেহ নিয়ে শিব উন্মাদের মতো ইচ্ছেমতো ভ্রমণ করতে থাকেন । শিবের পাগলামী নিরসন করতে বিষ্ণু সুদর্শন চক্র দিয়ে নিষ্প্রাণ সতীদেহ খণ্ড খণ্ড করে সারা ভারতবর্ষে ছড়িয়ে দেন। এই ভাবে সৃষ্টি হয় একান্ন দেবী পীঠ। সতীর বাঁ কান পড়েছিল সারাহানে। যেখানে এই বাঁ কান পড়েছিল সেখানেই প্রতিষ্ঠিত এই মন্দির। মন্দির অবশ্য কালে কালে নতুন করে তৈরি হয়েছে, শেষ মন্দিরটি বানানো হয়েছে ১৯৬২ সালে। বিরাট মন্দির চত্বর। তিনটি প্রবেশ দ্বার পেরিয়ে তবে মূল মন্দির প্রবেশ করা যায়। চত্বরের পশ্চিমে পাথরের তৈরি প্রায় ৪০ ফুট উঁচু নৃসিংহ মন্দির। সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠতে হয়, শ্বেতপাথরের সিঁড়ি। গোটা দশের ধাপ পেরিয়ে আবার একটি প্রবেশ দ্বার। এই দ্বিতীয় প্রবেশ দ্বার সম্পূর্ণ রূপোয় মোড়া এবং তাতে নানা কারুকাজ। এই দ্বার পেরিয়ে আর একটা চত্বর। এই চত্বর পেরিয়ে আরো একটু উচুঁতে তৃতীয় প্রবেশদ্বার। এই প্রবেশদ্বার কাঠের উপর রৌপমণ্ডিত এবং কারুকার্য খচিত। এই দ্বার পেরিয়ে তৃতীয় চত্বর। এই প্রাঙ্গণ বা চত্বর বেশ বড় সড়। এর দক্ষিণ দিকটা ঘিরে সুন্দর সাজানো ফুলের বাগান। কয়েকটা সিঁড়ি বেয়ে একটু নিচে নামলে সারি-সারি ঘর।
এই তৃতীয় চত্বরে এসে সব পুরুষ দর্শনার্থীদের টুপি মাথায় দিতে হয়। এখানেই চামড়ার জিনিসপত্র সব খুলে রাখতে হবে। সিঁড়ি বেয়ে মূল মন্দিরের প্রবেশ দ্বারে পৌঁছানো যায়। প্রথম প্রবেশদ্বার থেকে এই প্রবেশদ্বার প্রায় ৩০ ফুট উঁচু। এখানেই দুটো উঁচু কাঠের তৈরি বিশাল মন্দির দাঁড়িয়ে। দুটোরই উচ্চতা প্রায় ৭০ ফুট। মন্দিরের দিকে মুখ করে দাঁড়ালে ডানদিকেরটা পুরানো মন্দির। নিচে লেখা নবদুর্গা মন্দির। এটারো প্রবেশদ্বার রুপোর পাত দিয়ে মোড়া ও নকশাকাটা। পাশেই নতুন মন্দির তৈরি হয়েছে পুরোনো মন্দিরের অনুকরণে। নতুন মন্দির বিশাল এবং পুরোপুরি কাঠে তৈরি। এটিও নানা নকশা, কারুকাজ সমৃদ্ধ। মন্দিরের তিনতলায় মূর্তি প্রতিষ্ঠিত। ভীমাকালী মূর্তির সঙ্গে অরো নানা ছোটবড় মূর্তি প্রতিষ্ঠিত। মূল মূর্তি অষ্টভূজা অষ্টধাতু নির্মিত। মন্দিরের পিছনে রাজবাড়ি, সুন্দর করে সাজানো। মন্দির থেকে এক কিলোমিটার দূরে রয়েছে হিমাচলের তথা ভারতের বিখ্যাত মোনাল পক্ষী প্রজনন কেন্দ্র।
স্যাংলা_ভ্যালি
গৌতম বুদ্ধ এখানে কোনদিনই আসেনি । কিন্তু নানা রঙের পতাকায় তাঁর বাণী হাওয়ায় উড়ে বেড়াচ্ছে । সেই হওয়ার একটা স্নিগ্ধ রূপের দামী ধূপের গন্ধের মতো ছড়িয়ে আছে আকাশে বাতাসে । আম্রপল্লবে সিঁদুরের ফোটা। পিতলের কলসে স্বস্তিক চিহ্ন । এরকমই তো মনে হয় রাঙিয়ে যাওয়া বরফের চূড়াকে । একপাশে শ্রীখন্ড মহাদেব অন্য পাশে পার্বতী দাঁড়িয়ে আছেন আর পাশ দিয়ে পৃথিবীর দ্রুততম বহতা নদী শতদ্রু। বাম তীর ধরে চলেছে যে নদী, তারই প্রান্ত ধরে রাস্তা এগিয়ে চলেছি সাংলার দিকে। একপাশে হিমালয়ের দীর্ঘতম ও বৃহত্তম দেওদার বনানী। লোকায়ত প্রাপ্তির কিংবা পরমার্থিক লাভ-লোভের কোন জটিল চেতনা না থাকায় এই যাত্রা পথ অনেক মোহময় ৷ বনভূমি মাঝে মাঝে গভীর আদিম বন্যতার এক প্রাগৈতিহাসিক ভয়ালতার স্বাক্ষ্য দিচ্ছে। একদিকে দেওদার ছাড়াও চীর, পাইন, ওক, সাইপ্রিস, স্পাইরুস সহ বহু সরল বর্গীয় গাছের ছড়াছড়ি। ক্যামব্রিয়ান যুগের শিলাস্তর গঠিত গিরিশ্রেণী। জুরাসিক যুগ থেকে শুরু হয় ইয়োসিন, ওলিও গোসিন মাইয়োসিন, প্লাইয়োসিন প্রতিটি কল্পে ব্যাপক রূপান্তর। ঘটেছে হিমালয়। কার্বোনিফেরাস কল্পের পরে পারমিনান কল্পেই বোধ হয় সবচাইতে বেশী বিবর্তন ঘটেছে। এই বিবর্তনের একটা পূর্ণাঙ্গ রূপ মেলে কারছাম থেকে ছিৎকুল পর্যন্ত রাস্তার প্রতিটি অঞ্চলে। শতদ্রু আর বাপসা নদীর মিলন স্থল কারছাম। জলবিদ্যুৎ গেট পেরিয়ে একমুখি রাস্তা। এখানে সুন্দর ভয়ঙ্করের রূপ নিয়েছে। সাংলার মিলন স্থল কারছাম। জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের গেট পেরিয়ে একমুখি রাস্তা। এখানে সুন্দর একা ভয়ঙ্করের রূপ নিয়ে শুয়ে আছে। সাংলার খ্যাতি তার উপত্যকার জন্য। যতদূর চোখ রাখা যায় শুধুই উপত্যকায় ঘেরা। ৮৫০০ ফুট উঁচুতে সাংলা জনপদে পৌঁছে যাবার পর মনে হবে প্রাচীরে ঘেরা এক দূর্গে এসে উপস্থিত হলাম। নীল আকাশের নীচে সাদা পুরু বরফ, পাহাড়ের গায়ে রুক্ষতা, সবুজের নাম গন্ধ নেই। নদীর তীরে সবুজ। এখানে রাজা বীরভদ্রা একটি ফোর্ট বানিয়ে ছিলেন। স্থানীয় লোকজন বলেন কামরু ফোর্ট। আবার কেউ বলেন অসমের কামরূপ দেবতার একটি অংশ এখানে রয়েছে। কেউ বলেন বদ্রীনাথ মন্দির। এনিয়ে অনেক গল্প আছে। আপেল বাগানের পাশ দিয়ে রাস্তা চলে গেছে। ফোর্টে রাস্তার ধারে পড়ে আছে আখরোট, লতিয়ে উঠেছে আঙ্গুর লতা। সত্যি এক আশ্চর্য রূপলোক।
সমগ্র কিন্নর জেলাই নিত্য উৎসব মুখর এর মধ্যে সাংলাভ্যালি অভিনব। এখানকার লোকনৃত্য কায়াঙ এবং তোসিও হচ্ছে জনপ্রিয় পরব। মহেণ্ড শঙ্ক, কংশু, ঢবলা সরচিং চিনবো, নরেন্স, গ্যালবো হোলো স্থানীয় দেবদেবীর নাম। প্রধান বাসিন্দা রাজপুত সম্প্রদায়েরর ‘নেগী’ গোষ্ঠী। এছাড়া রয়েছে কোলি, দাগি, হালি প্রমুখ হরিজন সম্প্রদায়ের মানুষেরা। বৌদ্ধ ধর্মালম্বী মানুষও অনেক। প্রায় প্রত্যেক গ্রামেই রয়েছে বৌদ্ধ মঠ। চাষবাসই এখানকার প্রধান জীবিকা। আপেল, আঙুর, আখরোট, ন্যাসপাতি, চিলগোজা, বোমি, নেওজা ও আলু কিন্নরের প্রধান ফসল। মানুষজন সবাই সরল, আন্তরিক ও মোটামুটি শিক্ষিত। নাগরিক জীবনের কৃত্রিমতা নেই বললেই নগরকেন্দ্রিক দুর্নীতির প্রবেশ এখানে ঘটেনি এখানে। সাংলার গোল্ডেন আপেল ও রয়েল আপেলের জন্য পৃথিবী বিখ্যাত।
ছিৎকুল ও বাপসা ভ্যালি
সাংলা থেকে রকছাম গেলেই প্রকৃতি পাল্টে যায়। রাস্তায় ভয়ঙ্কর রূপ আর সবুজ ঘাসে মোড়া বস্পা উপত্যকা মিলে মিশে যায় প্রকৃতির সাথে মাঝে মাঝে বুগিয়াল সবুজ ঘাসে মোড়া, পপি, প্রিমূলা, অ্যাসটার, জিরানিয়াম আর ক্যারিডালিস ফুলে ছেয়ে থাকে অঞ্চল। নদীর উল্টোপাড়ে ভার্জিন ফরেষ্ট। ওক, হেমলক্, সাইপ্রিস, দেওদার, পাইন চীরের ছড়াছড়ি। নদীর ডানতীরে জনবসতি। লিনকস্ হাঙুল সিভেট জাতীয় প্রাণীর মেলে। ছিটকুলের উচ্চতা ফুট। শীতের প্রাকোপ বেশ। দক্ষিণপূর্ব গিরিশিরা যে রাস্তা চলে গেছে কিন্নর পরিক্রমার রাস্তা। ছোট মনে চলে তিব্বতের দেশে এটাই শেষ গ্রাম ভারতের। মানুষের মধ্যে ব্যস্ততা নেই, ছোট বাড়ির মধ্যে কেউ উল বুনছেন কেউ ভেড়া চড়াছেন। তিরতির করে চলেছে বাপসা নদী। দিগন্ত রালডাং, জোরখাদেন আর সেসাররঙ পর্বত সারা শাত বরফের আস্তরণে ঢাকা। দূরে দেখা যাচ্ছে ছোট ছিৎকুলের প্রাচীন বৌদ্ধ মন্দির, অপ্রশস্ত আঙিনা। নাম জানা পাখিদের কলতান। প্রজাতির পাখির দেখা মেলাটাই স্বাভাবিক। ফেজাল্ট ফর্কটেল, অ্যাকসেন্টার পাখি ছাড়াও ল্যামারগেয়ার, রেডস্টার্ট, মিনিবেট ম্যাগবাই পাখি. রডোডেনড্রন ছাড়া অন্য অনেক গাছ, তবে অ্যাশ পপলার গাছের দেখা পাওয়া না। ম্যাপেল ও গাছের ছড়াছড়ি।
ভাবি অনন্ত পৃথিবীর এই রুপ দর্শন কত ভাবে উপলব্ধি করছি। প্রকৃতি যেখানে নিজেকে সাজিয়ে তুলেছে আমি তো দেখবোই। অনন্তের মাঝে হারিয়ে ফেলতেও বেশি সময় লাগে না।
.jpg)







কি অসাধারণ লেখা। পড়তে পড়তে ঘুরে এলাম কিন্নর দেশে। আমার মনে হয় সাহিত্য ও ভ্রমণ একসাথে মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে।
উত্তরমুছুনঅনেক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা গ্রহণ করুন
মুছুনAsadharon .Mon chue gelo
মুছুনঅসংখ্য ধন্যবাদ
মুছুনপথশ্রম নেই, পয়সখখরচ নেই, কেমন সুন্দর ঘুরে এলাম
উত্তরমুছুনশুনে খুব খুশি হলাম
মুছুনAsadhrn lekha.darun
উত্তরমুছুনঅনেক ধন্যবাদ
মুছুনঅপূর্ব বর্ণনা, অসাধারন ভাবে চোখের সামনে ভেসে উঠছে।
উত্তরমুছুনঅনেক অনেক শুভেচ্ছা নেবেন
মুছুনDarun lekha porlam...amar sarahan..kinnuor..chhitkul jaoa hoini..khub tathyosomriddhyo lekha..khub valo laglo..
উত্তরমুছুনঅসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে
মুছুনপ্রকৃতি সততই সুন্দর।কিন্নর সম্পর্কে আপনার সুনিপুণ বর্ননা, তার সৌন্দর্যকে আরো মহিমান্বিত করে তুলেছে।
উত্তরমুছুনঅনেক শুভেচ্ছা নেবেন
মুছুনখুব ভালো লাগল।
উত্তরমুছুনঅনেক ভালোবাসা ও শুভেচ্ছা
মুছুনAsadhrn lehka. Khub bhlo laglo
উত্তরমুছুনশুভেচ্ছা নেবেন
মুছুনNice
উত্তরমুছুনঅনেক শুভেচ্ছা
মুছুনঅসাধারণ লেখা। কিন্নর কে কখনো ভোলা যাবে না।
উত্তরমুছুনঅনেক অনেক শুভেচ্ছা
মুছুনKhub sundr lekh . shdhu lekha NY chhabi gulo khub sundr. At ekt kth lekhr bhetre pran ache.
উত্তরমুছুনঅনেক ধন্যবাদ
মুছুনকিন্নর আমাদের ঘোরা তার রূপে মুগ্ধ আমিও তবে আপনার অসাধারণ লেখা পড়ে নতুন করে আবার কিন্নর দেখলাম।
উত্তরমুছুনঅশেষ ধন্যবাদ. ভালো থাকবেন
মুছুনঅপূর্ব লেখা আর ছবিও অসাধারণ। লেখার পড়ার সাথে সাথে ঘুরে এলাম।
উত্তরমুছুনঅনেক অনেক শুভেচ্ছা।
মুছুনঅসাধারণ কাকু
উত্তরমুছুনঅনেক অনেক ধন্যবাদ
মুছুনKhub khub bhalo.keep writing.Thank u
উত্তরমুছুনআপনি আমার শুভেচ্ছা নেবেন
মুছুনSundar barnana. Simla kulu manali kayek bar gachi kintu kalpa kinnor jaoa hai ni. Lekha pare beranor sad anekta e mitlo. Bhalo thskben
উত্তরমুছুনঅবশ্যই যাবেন। খুব ভালো লাগবে
মুছুনখুব সুন্দর বর্ণনা, যেন চোখের সামনে দেখছি !
উত্তরমুছুনThank you very much
মুছুনখুব ভালো লাগল
উত্তরমুছুনঅনেক অনেক শুভেচ্ছা
মুছুনNice
উত্তরমুছুনধন্যবাদ
মুছুনখুব সুন্দর লেখা
উত্তরমুছুনধন্যবাদ
মুছুনKhub bhlo
উত্তরমুছুনThanks
মুছুনপড়তে পড়তে কিন্নরের দেশ ঘোরা হয়ে গেল, অসাধারণ লিখেছেন দাদা।
উত্তরমুছুনঅশেষ ধন্যবাদ আপনাকে
মুছুনঅপূর্ব লেখা। আমার কিন্নর ভ্রমণের কথা মনে পড়ে গেল।
উত্তরমুছুনকত জায়গায় আমরা ঘুরেছি একসাথে। তোমরা সকলে ভালো থেকো।
মুছুনযেন মানস ভ্রমণ করছিলাম, অজানা নানা কিছু দেখলাম, ভালবাস ও ধন্যবাদ রইল।
উত্তরমুছুনঅনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে
মুছুনThanks
উত্তরমুছুনথ্যাংক ইউ ফর ইউর কমেন্টস
মুছুনখুব সুন্দর বর্ণনা মন ছুঁয়ে যায় ।
উত্তরমুছুনঅনেক অনেক ধন্যবাদ
মুছুনঅনেক অনেক ধন্যবাদ
মুছুন