দারিংবাড়ি

উপত্যকায় বাড়ি।

বামাপদ গঙ্গোপাধ্যায় 

এবার আবার কাশ্মীর? বন্ধুকে বলি : বরফ দেখতে পাবো? মনে মনে বলি : বরফ দেখার লোভ আমার নেই।আমি অনেক বরফ দেখেছি । আমি প্রকৃতি দেখতে যাব । সে আমায় বলে হ্যাঁ রে পাবি রাজি হয়ে গেলাম দারিংবাড়ি যাবার জন্য ।

 ট্রেনের টিকিট নিয়ে ভাবনা আমার নেই । কিছু একটা হয়ে যাবে । দুটি তৎকাল টিকিট কেটে হাওড়া থেকে উঠে পড়ি ট্রেনে ।সকাল ন'টা নাগাদ বেহেরমপুর বা ব্রহ্মপুর স্টেশনে নেমে পড়ি । ব্রহ্মপুর স্টেশন থেকে বাস স্ট্যান্ড  এসে বাস ধরলাম। জাতীয় সড়ক ধরে বাস চলতে শুরু করল।এক ঘন্টার পর থেকেই প্রকৃতি পাল্টে যেতে শুরু করল । দূরের আঁকা বাঁকা পাহাড়ের ছবি আস্তে আস্তে চোখের সামনে ভেসে আসছে। পাক খেয়ে গাড়ি উঠতে লাগল।সকালের পুরি আর তরকারি পেটে গুলিয়ে উঠছে । এ কোথায় যাচ্ছি? গভীর গহন জঙ্গল । উদয়গিরি ফরেস্ট রেঞ্জ যে এতো গভীর ভাবলেই  বিস্ময় লাগছে। এ কি ওড়িশা?  নাকি কী মধ্য প্রদেশ? আমার ভ্রমণ মানে কোন টার্গেট নয় রাস্তা দিয়ে যেতে যেতে যা দেখি সেটাই আমার চোখে সব থেকে বড় ভ্রমণ ।


নেট থেকে পাওয়া তথ্য অনুসারে দারিংবাড়ি উড়িষ্যা রাজ্যের কন্ধমাল জেলার একটি উল্লেখযোগ্য শৈলশহর, মনোরম আবহাওয়ার আকর্ষণীয় শৈলময় পরিবেশের জন্য একে "উড়িষ্যার কাশ্মীর" বলা হয়ে থাকে। উড়িষ্যার কন্ধমাল জেলায় এই পার্বত্যময় জায়গাটি সমুদ্রপৃষ্ট থেকে ৯১৫ মিটার উচ্চতায় অবস্থান করছে। পূর্বঘাট পর্বতশ্রেণির বিভিন্ন শৃঙ্গগুলি উঁচুনিচু তরঙ্গায়িত ছন্দে শহরটিকে ঘিরে আছে। অপূর্ব নৈসর্গিক পরিমণ্ডল স্থানটিকে স্বর্গীয় মাধুর্য দান করেছে। এর চতুর্দিকে কোথাও পাইন জঙ্গল, কোথাও নিবিড় শালবন, কফি বাগিচা বা সবুজ উপত্যকা যেন প্রকৃতি প্রেমিক পর্যটকদের হাতছানি দিচ্ছে । পাশাপাশি আছে ঘন রেন ফরেস্ট আর বন্য জীবজন্তুর আনাগোনা। শীতের দিনে এখানে যথেষ্ট ঠাণ্ডা পড়ে, এখনও পর্যন্ত সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নথি অনুযায়ী -0.৫ ডিগ্রী সেণ্টিগ্রেড।শীতের দিনে কোনো কোনো সময় ঘাসের ডগায় বরফ জমে থাকতে দেখা যায়। দারিংবাড়ির  মোট জনসংখ্যার শতকরা ৬৩ ভাগ কন্ধ উপজাতির মানুষ। স্থানীয় কুইভাষায় 'দারিং'- শব্দের অর্থ উপত্যকা, আর 'বাড়ি'- অর্থে ঘর, সেইদিক থেকে 'দারিংবাড়ি' - শব্দের অর্থ হলো- উপত্যকার বাড়ি।

সেই প্রথম আমার দারিংবাড়ি যাওয়া । তারপর অনেকবার গেছি দারিংবাড়ি । যতবার দারিংবাড়ি কে দেখি ততবারই আমার কাছে নতুন মনে হয় । কেন মনে হয় এর কারণ যদি আমাকে জিজ্ঞেস করা হয় আমি বলতে পারবোনা । শুধু এইটুকু বলতে পারব যে , আমি মনটা ও চোখটাকে নতুনভাবে দেখবো বলে ঠিক করে যাই । সাঁওতাল পরগনা, ছোটনাগপুর মালভূমি সবসময় আমাকে টানে । এখানকার প্রকৃতি অনেকটা ছোটনাগপুর মালভূমির মত । আমি উড়িষ্যার কাশ্মীর দেখতে যাইনি । আমি গিয়েছিলাম ওখানকার প্রকৃতি এবং ওখানকার মানুষকে দেখতে । আশ্চর্য রূপটানের রূপ কত বৈচিত্র্য হয় তা দেখার জন্য একবার আপনাকে দারিংবাড়ি যেতেই হবে । সবাই মিলে গিয়েছিলাম সূর্যাস্ত দেখতে । সূর্যাস্ত পৃথিবীর সমস্ত জায়গায় একই রকম হয় । কিন্তু মেঘের মধ্যে পাহাড় আর পাহাড় এর মধ্যে মেঘ ঢুকে সূর্যকে নিয়ে এমন খেলা আর মনে হয় কোথাও নেই । দূরে যতগুলো পাহাড়ের ভাঁজে দেখা যাচ্ছে ততগুলো ভাঁজের মধ্যে রয়েছে রহস্যময় পাহাড়চূড়া আর মেঘের গুড়িগুড়ি সন্তানেরা ।

আমরা যেখানে সূর্যাস্ত দেখছিলাম তার পাশে একটা ছোট্ট চায়ের দোকান । চারিপাশে শাল গাছের পাতা দিয়ে মোড়া । বসার জায়গা পাথরের উপর । আদিবাসী মানুষটি পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে দোকান চালাচ্ছেন । দোকানের পাশেই পরিবারের ঘর ।   মাথার উপরে ছাউনি নেই রঙিন কাপড় দিয়ে চারিপাশটা ঘেরা তার মাঝেই খেলে বেড়াচ্ছে একটি ছোট্ট শিশু । সেটাই আপাতত তার বাড়ি । আমি কাছে গিয়ে দেখি কি রান্না হচ্ছে ? হাঁড়িতে রয়েছে খেজুরের রস শাল পাতা দিয়ে জ্বাল দেয়া হচ্ছে ? একটু পরেই হয়তো গুড় হয়ে বেরোবে । সূর্যাস্তের লাল রঙ ছড়িয়ে পড়েছে লাল কাপড়ের ওপর গুড়ের রং ও আস্তে আস্তে লাল হয়ে যাচ্ছে । 

      ভোর চারটে থেকে একটা মোরগ ডেকে- ই যাচ্ছে । ভাবি ভোর হলো । বাইরে তাকিয়ে দেখি বিদিশার নিশা । কতটা ভোর হলে মোরগ ডাকতে পারে সেটা জানা নেই আমার । তাড়াতাড়ি উঠে পড়ি । আজ মন্দাসারু যেতে হবে এই ভেবে ।বাইরে তাকিয়ে দেখি টিম টিম করছে একটা আলো । আর ধোয়া পাক খেয়ে  আকাশের দিকে উঠে যাচ্ছে । বুঝতে পারি চায়ের দোকান খুলছে । স্তব্ধতার আঙিনাতে আলিঙ্গন করবার জন্য বেরিয়ে পড়ি চায়ের দোকানের দিকে । 


 শীতকাল। একটু পরেই লাল মাটির উপর বাজার বসবে । তাজা ফুলকপি, ধনেপাতা , মুল, টমেটোর গন্ধ ছড়িয়ে পড়বে সারা বাজারে। প্রজাপতি গার্ডেন , ইমু পার্ক এই ধরনের পার্ক যেতে আমার একদম ইচ্ছে করে না । আমি একা একা ঘুরতে থাকি শাল মহুল আর পাইনের জঙ্গলে । লম্বা লাল রাস্তা দুপাশে শাল মহুলের জঙ্গল । বাচ্চারা জঙ্গল থেকে  তুলে নিয়ে এসেছে বুনোকুল ,শালপাতা ভাঁজ করে আমার হাতে দিয়ে বলল ১০ টাকা দিন । সেই কুল খাওয়ার মজা দেখে মনে হয় ছোটবেলা সেকি ফের ফিরে এলো ? ওদের বলি চলো , বুনোফুল তুলতে আবার পাহাড়ের মাথায় । বন্ধু তো একবার বনলতাকে সাথে করে বুনো কুল তুলতে গিয়েছিল । এই সব দেখলে পুরনো প্রেমের দগদগে ঘায়ের মামরিটা উঠে আসে বুকের কাছে । চোখের সামনে মনে হয় সে দাঁড়িয়ে আছে । কে ই বা আমাকে বলবেন : এতদিন কোথায় ছিলেন ? আমি তো আমাতেই আছি প্রকৃতির মাঝে ।


 ঝর্না দেখতে যাব। মড়ুবান্দা জলপ্রপাত। জলের স্রোত বড়ো দুরন্ত। অবিশ্রান্ত ছুটে চলেছে। এসো, একসঙ্গে যাত্রা করা যাক। নদীর মতো করে নেমে চলি জলপ্রপাত দেখতে । সমস্ত দারিংবাড়ি পাহাড় জুড়ে অসংখ্য সুন্দর ঝরনা তৈরি করেছে দলুরি নদী। দারিংবাড়ি পাহাড়ের ঢাল বেয়ে নেমে এসেছে ঋষিকুল্য নদী। তার সৌন্দর্য মনকে ঘিরে ঢেউ তোলে । 

সাইলেন্ট ভ্যালি , কফি বাগানের কফির গন্ধ ,রেনফরেস্ট সবমিলিয়ে মনে হয় এই জায়গাটা বর্ষাকালে সবচেয়ে ভালো জায়গা হয়ে উঠতে পারে । এখান থেকেই দেখা যেতে পারে ম্যাজিক মনসুন। ম্যাজিক মনসুন দেখার জন্য আবার আসব দারিংবাড়িতে ।  

মান্দাসারু

কথা বললেই ভেঙে যায় স্তব্ধতা। নৈশব্দের তর্জনী তুলে আমার চোখের দিকে তাকিয়ে ছিল সে । আমি তাকে চিনি । তাকে আমি বুঝি । সে আমাকে বোঝে কিনা আমি তা জানি না । আমি আবার তার দিকে তাকিয়ে থাকি । চোখ আরো গভীরে চলে যায় । স্তব্ধতা ভেঙ্গে যায় পাখি ডাকে । সেই পাখির ডাক আবার ফিরে আসে আমার কাছে । যখন গাছের শেকড় খুঁজতে যাই ,পাই না ।এত বড় গর্জ গিরি খাত যে মাটি দেখা যায় না । আমি তো পাখি নই যে উড়ে যাব তার কাছে । অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকি স্তব্ধতার দিকে । আমি এখন সাইলেন্ট ভ্যালিতে । পৃথিবীর প্রাচীনতম জঙ্গলের মধ্যে একটি  কেরালার সাইলেন্ট ভ্যালি । সে-ই সাইলেন্ট ভ্যালিতে আমি নেই । আমি আছি উড়িষ্যার সাইলেন্ট ভ্যালিতে । আমারই ডানদিকে এক পৌঢ় দম্পতি বসে আছেন। সাইলেন্ট ভ্যালি দিকে তাকিয়ে । মুখে তাদের কথা নেই । চোখের ভাষায় আমাকে কী যেনো বল্লেন  । মনে হলো আমাকে দেখে তাদের স্তব্ধতা ভেঙ্গে গেছে । পুরনো প্রেম যদি মনে থাকে তাকে বের করে আনার সদিচ্ছায় তারা বসে ছিলেন, মাথায় লাল রং করা টিলার ব্যালকনিতে । তাঁদের দেখে মনে হলো বয়স একটা সংখ্যা মাত্র । আমি যা দেখতে এসেছি তার সংখ্যা গোনার লোক কোথায়? কত পুরুষের সে প্রেমিকা। কত নারীর সে প্রেমিক । এই গোপন রহস্যের হাত ছানিতে আমিও ডুবে আছি মান্দাসারুতে ।


দারিংবাড়ি থেকে যখন বের হচ্ছি তখন ঘাসের  আগায় শিশিরের বিন্দুতে বরফ দেখি নি । সবই নকল নকল নাম। উড়িষ্যার কাশ্মীর । মনে মনে ভাবছি যাচ্ছি সাইলেন্ট ভ্যালি এটাও তো কেরালা থেকে ধার করা , বড়ো নকল নকল মনে হয়। আবার বলা হয় ভগবানের নিজস্ব দেশে । ভাবছি আবার একটা ফলস! না এবার আর ঠকে যাইনি । 

আড়াই হাজার ফুট উঁচুতে দাঁড়িয়ে ১০টাকা দিয়ে কিনতে এসেছি স্তব্ধতা। হনহন করে ঢুকে পড়েছিলাম মন্দাসারু নেচার ক্যাম্পের ভিতরে । এক আদিবাসী রমণী আমায় বাধা দিলেন বললেন না না স্তব্ধতার ভ্যালিতে প্রবেশ করতে গেলে আপনাকে ১০ টাকা দিতেই হবে । এখান থেকে বের হবার সময় ভেবেছিলাম ১০ টাকা কেন এরকম আরো অনেক ১০ টাকা  দিতে রাজি আছি এই স্তব্ধতার কাছে পৌঁছে যেতে । 

আমি সেলিম আলি নই ।পাখি চিনি না কিন্তু পাখির ডাক কানে এলে ভালোবাসাকে প্রশ্রয় দিতে সব সময় রাজি থাকি । কি দরকার পাখির নাম জেনে ! আমি তাদের ডাকতে বারণ করি। তাদের বলি মন্দাসারু পাহাড়ে গিয়ে ডাক দেখবি তোর ডাকা শব্দই তোর কানে ফিরে আসছে । এটাই তো ইকো পয়েন্ট । এক তরুণী তার প্রেমিকের নাম ধরে দুবার ডাকলো তার ডাকা শব্দই তার কানে ফিরে এলো । আমিও চারবার শুনে ফেললাম তার প্রেমিকের নাম । 


একটা পাহাড় ঘনকুয়াশায় ঢেকে আছে । সে আমাকে বল্লো এখানে স্তব্দতা আছে তবে নৈশব্দের। এখানে মেঘের রঙ ঘন নীল নয় । আকাশ মেটে ছাইরঙের।কান পেতে দূরে শোনা যায় জলের শব্দ । শব্দ তো নয় মনে হচ্ছে সংগীতের সুর ভেসে আসছে । তার কাছে পৌঁছানো যায় । ট্রেক করে যাবার ইচ্ছে আমার আছে । চারিপাশের জঙ্গলটা এত সুন্দর তাকে আমি মারিয়ে যেতে মন চায় না । পাখি আর ফুল এরা এরা একে অপরকে আদর করে। পাখির ফুলের ওপর বসে দোল খায় । সেই দোলাকে আনন্দের সাথে গ্রহণ করে ফুলেরা । 

অদূরেই ফুলবনি। আমি সেখানে যাই নি । আমার কাছে মান্দাসারু আর ফুলবনি সকলেরই গ্রহণযোগ্যতা আছে । আমি জানিনা প্রাচীনকালে এখানে কোন ঋষি মহাঋষিরা এসে থাকতেন কিনা ! নিশ্চয়ই থাকতেন তা না হলে এত ভেষজ ঔষধি গাছ কে চিনিয়ে দিয়েছ চুপি চুপি । বাসক পাতা কালো মেঘের পাতা আমি চিনি । এখানকার মানুষরা বললেন মেডিসিন প্ল্যান্ট এর জন্যেই মান্দাসারু বিখ্যাত । 

ঘন ঘন আবহাওয়া পরিবর্তনের জন্য ঘন ক্রান্তীয় এই জঙ্গলের সৌন্দর্যে মনমুগ্ধকর । একের পর এক  ২২ টি পাহাড় দাঁড়িয়ে আছে এর মধ্যে সাশিমাহ মান্ডা হিল সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৩২৮০ ফুট উঁচু। আরএর ঢেউ প্রসারিত প্রায় ১৫ কি. মি । মন্দাসারু গর্জকে  স্থানীয় ভাষায় বলা হয় গদাং কুট্টি । এর মধ্যে ছয়টি জলপ্রপাত রয়েছে যার মধ্যে দুটি প্রাচীনতম  এবং বাকী তার পরবর্তী সময়ে। চারটি জলপ্রপাতের জল - বেইঙ্গুমাহা, কাদিগদাপ, প্রিজিব্রান্ডা এবং কেরাগাডু নুপুটিমাহ । জলপ্রপাতের গুলো শেষমেষ মিশেছে ঋষি কূল্য নদীর সাথে । নীরব উপত্যকার মত ঋষি কূল্য নদীটি ও নীরব । তারা তারিনী মন্দিরের  দাঁড়িয়ে এই নদীকে দেখে মুগ্ধ হয়েছি ।


আমাদের গাড়িটা যেখানে পার্কিং করা হয়েছিল । তার পাশেই রয়েছে একটা চায়ের দোকান । সেখানে একটি তরুণ ছেলে আমায় বলল মান্দাসারু ওয়াটার ফল দেখতে যাবেন ? ওখান থেকে আপনাকে নিয়ে যেতে পারি ম্যাগনেট পাহাড়ে । কবি বিদ্যাপতি বলতেন না লোভে বারে লোভ ! লোভ হয় । পা বাড়িয়ে দিয়েও পিছিয়ে আসি । আমার কাল রাতে মাথা থেকে শরীরে একটা ঝাঁকুনি এসে ছিল। তাকেই বা উপেক্ষা করি কী ভাবে ।  মান্ডা অর্থ শিলা এবং সরু অর্থ একটি সরু অগ্রগতি। সরু ভাবে পা থেকে মাথা পর্যন্ত যদি টলমল করে ? তাই চলো নিজ নিকেতনে । ফিরে যাই দারিংবাড়ি দিকে ।

মন্তব্যসমূহ

  1. লেখা নয় মনে হচ্ছে সঙ্গে আছি , এত অসাধারণ বর্ণনা যাবার ইচ্ছে গুলোকে বাড়িয়ে দেয়

    উত্তরমুছুন
  2. খুব ভাল লাগল লেখাটা, বরাবরই যেমন ভাল লাগে আপনার লেখা। খুব সঙ্গে থেকে ঘোরার স্বাদ দেয়। আপনার সহজ সাবলীল ভাষা এই ধরণের লেখার জন্যে আদর্শ

    উত্তরমুছুন
  3. এইভাবে ঘোরার ইচ্ছে,,কিন্তু কি ভাবে ব্যবস্থা করবো, জানা নেই..,,তাই এ জীবনে স্বপ্ন অধরাই থেকে যাবে।

    উত্তরমুছুন
  4. Chotonagpur Malvumi anchal sotyi manushke tane, avivuto kore

    উত্তরমুছুন
    উত্তরগুলি
    1. একদম ঠিক কথা বলেছেন অনেকটা ছোটনাগপুরের মালভূমির মত

      মুছুন
  5. অপূর্ব আপনার লেখা পড়তে মনে হয় যে ন আমিওআপনার সফরের সঙ্গে সঙ্গী

    উত্তরমুছুন
  6. আগে কখনো না-শোনা কত বিচিত্র মায়াবী সব নাম ! মনে ধরি ধরি করেও ছাড়তে হয় যেমন সময়কে, ঠিক তেমনই এসব কত কি সব ভীষণ রোমান্টিক নামগুলোকেও ! কম তো দারিংবারী পড়ি নি, তবু এমনকরে শুধাইলো না কেহ , যেমনে আজ বামা দা গড্ডালিকা প্রবাহে ন ভেসে বোঝালেন, ভাবালেন আমাদের। অসীম যখন দেখি, তখন অসীমে উদ্দেশ্যে পাড়ি দিতে বামা দাদের যে ভীষণ দরকার ........

    উত্তরমুছুন
  7. ঘুরে এলাম দারিংবারি এবং মন্দাসারু, আপনার অসাধারণ লেখনীর সাথে। এ এক দারুন অভিজ্ঞতা, যিনি আপনার লেখা পড়েননি, তাকে বোঝানো মুস্কিল যে পড়ার সাথে সাথেও ঘুরে বেড়ানো যায়।।

    উত্তরমুছুন
  8. লেখার মধ্যে একটা ব্যাপার থাকে, যেটা তে আনে মুগ্ধতা। যাওয়া হয় নি। ঘুরে এলাম। দেখলাম।

    উত্তরমুছুন
  9. Apner. Chokhe ghure nilum Daringbari. Khub valo laglo.

    উত্তরমুছুন

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

মধেরার সূর্য মন্দির

মিশর ভ্রমণের নান্দীমুখ।

হালিশহর এক দিনের ভ্রমণ।